Podcast
Questions and Answers
ইলিশের বৈশিষ্ট্য হিসেবে কোনটি সঠিক?
ইলিশের বৈশিষ্ট্য হিসেবে কোনটি সঠিক?
- এটি সাধারণত ২০-৪০ সেমি লম্বা।
- এটি পাতলা এবং সামান্য চ্যাপ্টা দেহের। (correct)
- এটির পিঠের রঙ হলো হলুদ।
- এটি সাধারণত ৩০-৭০ সেমি লম্বা।
ইলিশের প্রজনন সময় কবে ঘটে?
ইলিশের প্রজনন সময় কবে ঘটে?
- শীতকালীন মাসে।
- বর্ষাকালে (জুন-সেপ্টেম্বর)। (correct)
- পূজার সময়ে।
- গ্রীষ্মকালীন মাসে।
ইলিশের খাদ্য ও পুষ্টির একটি উপকারিতা কি?
ইলিশের খাদ্য ও পুষ্টির একটি উপকারিতা কি?
- হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
- মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমায়।
- উচ্চ প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। (correct)
- নজরে সমস্যা তৈরি করে।
বাংলাদেশের মৎস্য শিল্পে ইলিশের অর্থনৈতিক গুরুত্ব কি?
বাংলাদেশের মৎস্য শিল্পে ইলিশের অর্থনৈতিক গুরুত্ব কি?
ইলিশের সংকটের প্রধান কারণ কি?
ইলিশের সংকটের প্রধান কারণ কি?
ইলিশ সাধারণত কীভাবে রান্না করা হয়?
ইলিশ সাধারণত কীভাবে রান্না করা হয়?
ইলিশ বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ইলিশ বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ইলিশের রঙ কেমন?
ইলিশের রঙ কেমন?
Flashcards are hidden until you start studying
Study Notes
ইলিশের পরিচিতি
- ইলিশ (Tenualosa ilisha) বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।
- সাগর ও নদীর জলবায়ুতে পাওয়া যায়।
- সুস্বাদু এবং খাদ্যদ্রব্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
বৈশিষ্ট্য
- আকার: সাধারণত ২৫-৬০ সেমি লম্বা।
- রঙ: সাদা বা ধূসর বর্ণের পিঠ এবং সাদা পেট।
- দেহ: সোজা এবং পাতলা, পৃষ্ঠদেশের দিকে সামান্য চ্যাপ্টা।
প্রজনন
- প্রজননের সময়: বর্ষাকালে (জুন-সেপ্টেম্বর)।
- মা ইলিশ নদীতে ডিম পাড়ে এবং পরে সাগরে চলে যায়।
- ডিম ফুটে ছানা বের হওয়ার পর ছানাগুলো নদীতে চলে আসে।
খাদ্য ও পুষ্টি
- উচ্চ প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ।
- হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব
- বাংলাদেশের মৎস শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা।
- রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক।
সংকট ও সংরক্ষণ
- অতিমাত্রায় মাছ ধরা ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে সংকটাপন্ন।
- সঠিক সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এর সংখ্যা বৃদ্ধি সম্ভব।
রান্নার পদ্ধতি
- ভাজা, রান্না, কাবাব, বা জোড়া মাছ হিসেবে সাধারণত প্রস্তুত করা হয়।
- বিভিন্ন রকমের মশলা ব্যবহার করে সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হয়।
সাংস্কৃতিক গুরুত্ব
- বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে বিশেষ স্থান অধিকার করে।
- বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে পরিবেশন করা হয়।
ইলিশের পরিচিতি
- ইলিশ, বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha, বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।
- সাগর ও নদীতে পাওয়া যায়, যা এর করুণ পরিচয়ের অংশ।
- এই মাছ খাদ্যদ্রব্য হিসেবে সুস্বাদু এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৈশিষ্ট্য
- সাধারণত ২৫-৬০ সেমি লম্বা হয়ে থাকে, যা আকারে বিভিন্ন।
- পিঠের রঙ সাদা বা ধূসর, পেট সাদা, যা স্বতন্ত্র চিহ্ন।
- দেহ সোজা এবং পাতলা, পৃষ্ঠদেশের দিকে সামান্য চ্যাপ্টা।
প্রজনন
- বর্ষাকালে (জুন-সেপ্টেম্বর) ইলিশের প্রজনন ঘটে।
- মা ইলিশ নদীতে ডিম পাড়ে, পরে সাগরে চলে যায়।
- ডিম ফুটে ছানা বের হওয়ার পরে, ছানাগুলো নদীতে ফিরে আসে।
খাদ্য ও পুষ্টি
- ইলিশ উচ্চ প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ।
- হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক, যা স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব
- বাংলাদেশের মৎস শিল্পে ইলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- স্থানীয় বাজারে ইলিশের ব্যাপক চাহিদা বিদ্যমান।
- রপ্তানির মাধ্যমে এই মাছ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক।
সংকট ও সংরক্ষণ
- অতিমাত্রায় মাছ ধরা এবং পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে।
- সঠিক সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি সম্ভব।
রান্নার পদ্ধতি
- সাধারণত ইলিশ ভাজা, রান্না, কাবাব বা জোড়া মাছ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের মশলা ব্যবহার করে সুস্বাদু খাবার তৈরি করার একটি ঐতিহ্য রয়েছে।
সাংস্কৃতিক গুরুত্ব
- বাংলাদেশি সংস্কৃতিতে ইলিশের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।
- বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে এই মাছটি বিশেষভাবে পরিবেশন করা হয়।
Studying That Suits You
Use AI to generate personalized quizzes and flashcards to suit your learning preferences.